Saturday, May 9, 2026
Homeকবিতাপ্রান্তরA Y ২৬৮১৪ / আহমদ সায়েম

A Y ২৬৮১৪ / আহমদ সায়েম

ক.
যে ব্যক্তি ‘পরামর্শ’ করে কোনও কাজ করাকে বলে ‘নবীজির সুন্নত’, তার কাছেই
প্রতিদিন শুনতে হয় ভিন্ন রকম, অন্ন রকম শব্দের ব্যাখ্যা, যার একটিও
.                                               পরামর্শের কোনও রুলের মাঝে দেখা যায় না…

লাল গামছা গুলো আলাদা আলাদা করে রাখা হোক তাতে সমস্যা থাকার কোনও
কথা নয়, কিন্তু পরামর্শ না নিয়ে সিন্ধ্যান্ত দিলে-ত ভিন্ন কথা আসতেই পারে…
আসবেও…

পরামর্শের নামে যদি জগৎ সংসার মাথায় তুলে নিয়ে হাঁটতে হয়;—তবে ত
আরেকটা ফতুয়া নতুন ভাবে ভাবতে হয়…
.                            : আত্মহত্যা কে নবীর সুন্নত বলা হবে না কেনও…

খ.
পাঁচ বছরের শিশুকে ‘শুয়োরের’ বাচ্চা বলে বারান্দার রেলিঙ থেকে নামাচ্ছেন
.                                                                         একজন মা
‘কালচার’ হতে হলে এ ভাবেই নাকি হতে হয়, বলতে হয় উঁচু গলায়!!
—তা জানা হয় এক বন্ধুর মুখ থেকে!!

একজন মন্ত্রী যখন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাষা শিখিয়ে দেন…আমরা আমাদের প্রবেশপত্র
খোঁজে পাই…

গ.
যাদের নিয়ে পাঠ করা হচ্ছে আলোর উৎস বা তার
চরিত্রের এক দুইটি অঙ্গ দেখিয়ে বলা হচ্ছে—ভাষা খুব শক্ত…
.                             অথচ দীর্ঘ পথ হাঁটা হয়ে গেছে তাদের
তবু মুক্তি পেয়ে যাবে এই আশায়                প্রতিদিন…

ভুল ঠিকানায় পাঠ শুনতে বসে, একটি একটি শব্দে একদিন সেও
পাঠ করে : আলোর ‘শক্ত’ কয়েকটি দাগ ছাড়া
.                                       আর কোনও চরিত্র নেই

ঘ.
যে সব রঙ নিয়ে টানা হচ্ছে প্রকৃতি, সবার কিন্তু গল্প আলাদা
সাদা রঙ দেখিয়ে যার বিয়েতে রঙধনু আঁকা হয়েছিল, তার পরের
.                                                      গল্প সম্পূর্ণ ভিন্ন…
জন্ম-মাটিতে প্রথম সন্তানের জন্ম হলেও রঙধনু আঁকা হয়নি আর…

পত্রিকার মুখ না দেখে দেখে জন্ম-নিয়েছে একটা তৃতীয় চোখ

এখন যে সব পৃষ্ঠা পাঠ করা হয় তাদের প্রকৃত গন্ধ বুঝতে
হয়ত রাক্ষুসীর গল্পটা নিজের করে নিজের মতো ভাবতে হবে…

০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৪

 

আহমদ সায়েম
আহমদ সায়েমhttp://raashprint.net
জন্ম ১৯৭৮ সালের ৫ জানুয়ারি, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী শহর সিলেটে। তবে তাঁর বংশপরিচয়ের সূত্র টানলে ফিরে যেতে হয় সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ‘আলী আমজাদের ঘড়ি’র কাছে-যার পারিবারিক রক্তধারা তাঁর শরীরেও বহমান। শৈশব ও বেড়ে ওঠার স্মৃতিতে সিলেট যেমন একটি ভৌগোলিক নাম, তেমনি একটি সাংস্কৃতিক ও আবেগী পরিমণ্ডল। বর্তমানে তিনি পেশাগত কারণে সপরিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তিনি বিষাদমুক্ত জীবনবোধে আস্থাশীল, ভ্রমণপ্রিয় এবং বন্ধুবৎসল মানুষ হিসেবে পরিচিত। বহুমাত্রিক সৃজনশীলতায় সক্রিয় সায়েম একাধারে কবি, সম্পাদক, পুস্তকপ্রকাশক, স্থিরচিত্রগ্রাহক এবং স্বতঃপ্রণোদিত তথ্যচিত্রনির্মাতা। আবির্ভাবকাল অনুযায়ী তিনি একবিংশ শতকের প্রথম দশকের লেখকপ্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ তিনটি- অনক্ষর ইশারার ঘোর (২০১৫), কয়েক পৃষ্ঠা ভোর (২০১৯) এবং রুদ্ধজনের রাগ ও সম্বিৎ (২০২৫)। ২০১৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর কবিতার ইংরেজি অনুবাদগ্রন্থ The Layers of Dawn। প্রকাশিতব্য দুইটি কবিতার বই রয়েছে, যা খুব শীঘ্রই বের করার প্রস্তুতি চলতেছে। একটি ‘কবিতার খাতায় আঁকা ফিুড়ং’ এবং ‘আব্বার আনন্দবাজার’ নামে। তিনি সম্পাদনা করছেন সাহিত্যপত্র সূনৃত এবং ওয়েবম্যাগ রাশপ্রিন্ট। ছোটকাগজ সম্পাদনার জন্য ২০১৩ সালে তিনি অর্জন করেন ‘সমুজ্জ্বল সুবাতাস’ সম্মাননা। প্রবাসে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাজধানী ফিলাডেলফিয়ায় ‘বইমেলা২০২৫’ মতো একটি আয়োজন, যার সাথে তিনিও আয়োজকদের একজন ছিলেন। এবং ‘ফিলাডেলফিয়া’ নামের সাহিত্য পত্রিকাটি তিনি সম্পাদনা করেন। সায়েমের নানা বাড়ি হচ্ছে সিলেটের মামনফুর এলাকায়। নানার নাম সৈয়দ মোস্তকিন আলি বিষাদমুক্ত, ভ্রমণপ্রিয়, বন্ধুবৎসল। ফোন : +1 (929) 732-5421 ইমেল: ahmedsayem@gmail.com
এইরকম আরও পোস্ট
- Advertisment -
ad place