we want justice
ক
বৃষ্টির ফোটা মাথায় নিয়ে ১৮ নেমেছে রাস্তায়, অধিকার, ন্যায়বিচার ও দায়িত্ব বুঝে নিতে, ইতোমধ্যে লাশের ঘরে জমা দিয়েছে তাদের ভাই ও বোনের গুচ্ছ গুচ্ছ স্বপ্ন, রাষ্ট্রের মাথায় এখনো ফুলেল গন্ধ, মন্ত্রীর মুখে হাসির ফোয়ারা, রাস্তায় ছাত্ররা দাবি তুলেছে ‘আর কোনো মৃত্যু নয়, জীবনের মুগ্ধতা গুলো যেন স্থিরতা পায়’, তারা জানে রাষ্ট্রনায়করা কতোটা অক্ষম ভাবে ‘গাড়ি চালাচ্ছেন’, তারা চালকের চেহারায় পড়ে নিতে পারে দেশের চরিত্র, এই ক্ষমতার ভাষা-যে কতোটা লাল তা যে কোনো সম্পর্কের মাঝেই পড়া যায়, — দেশটা তাদের হাতেই শুদ্ধ হবে, অন্য সব ভুয়া…
খ
আঠারো ভুল করে, ভুলই তাদের শক্তি, তাদের ভাষা বড়দের মতো নয়, কি করেই বা হবে!! ভুল শিক্ষা ও মিথ্যা কথার রাজনীতি দেখে-দেখে শিশু থেকে কিশোর হয়েছে, তারা জানে প্রধানমন্ত্রীর কথাও যে ভুয়া… দেশটা কিশোরদের হাতেই শুদ্ধ হবে, অন্য সব ভুয়া…
গ
বড়দের শিক্ষাতে যদি আরও কিছু পথ লাল করতে হয় তবে তাই হোক, রফিক সালাম ও বরকতের পথ-তো লালই, তাদের শক্তি সাহস নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে রক্ষার জন্য যদি ফের যুদ্ধে নামতে হয়… গোলা-বারুদ দেখে ভয় পাওয়ার তো কিচ্ছু নেই, চাকার নিচে প্রান দিতে যাদের বুক কাপে না, দেশটা-তো তাদের হাতেই শুদ্ধ হবে, অন্য সব ভুয়া…
ঘ
কাজ করলে ভুলই হয়, ভুলটাই জরুরী বেশি, ভুল থেকে আলো ফোটাও, গলা উঠাও কিশোর, গোলা-বারুদের শব্দ উঠবে কেন, শুদ্ধতার চিৎকার শুনুক পৃথিবী…
— দেশটা তাদের হাতেই শুদ্ধ হবে, অন্য সব ভুয়া…
সোমবার, ০৬ আগস্ট ২০১৮, ২২ শ্রাবণ ১৪২৫

জন্ম ১৯৭৮ সালের ৫ জানুয়ারি, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী শহর সিলেটে। তবে তাঁর বংশপরিচয়ের সূত্র টানলে ফিরে যেতে হয় সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ‘আলী আমজাদের ঘড়ি’র কাছে-যার পারিবারিক রক্তধারা তাঁর শরীরেও বহমান। শৈশব ও বেড়ে ওঠার স্মৃতিতে সিলেট যেমন একটি ভৌগোলিক নাম, তেমনি একটি সাংস্কৃতিক ও আবেগী পরিমণ্ডল। বর্তমানে তিনি পেশাগত কারণে সপরিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
তিনি বিষাদমুক্ত জীবনবোধে আস্থাশীল, ভ্রমণপ্রিয় এবং বন্ধুবৎসল মানুষ হিসেবে পরিচিত। বহুমাত্রিক সৃজনশীলতায় সক্রিয় সায়েম একাধারে কবি, সম্পাদক, পুস্তকপ্রকাশক, স্থিরচিত্রগ্রাহক এবং স্বতঃপ্রণোদিত তথ্যচিত্রনির্মাতা। আবির্ভাবকাল অনুযায়ী তিনি একবিংশ শতকের প্রথম দশকের লেখকপ্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত।
তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ তিনটি- অনক্ষর ইশারার ঘোর (২০১৫), কয়েক পৃষ্ঠা ভোর (২০১৯) এবং রুদ্ধজনের রাগ ও সম্বিৎ (২০২৫)। ২০১৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর কবিতার ইংরেজি অনুবাদগ্রন্থ The Layers of Dawn। প্রকাশিতব্য দুইটি কবিতার বই রয়েছে, যা খুব শীঘ্রই বের করার প্রস্তুতি চলতেছে। একটি ‘কবিতার খাতায় আঁকা ফিুড়ং’ এবং ‘আব্বার আনন্দবাজার’ নামে।
তিনি সম্পাদনা করছেন সাহিত্যপত্র সূনৃত এবং ওয়েবম্যাগ রাশপ্রিন্ট।
ছোটকাগজ সম্পাদনার জন্য ২০১৩ সালে তিনি অর্জন করেন ‘সমুজ্জ্বল সুবাতাস’ সম্মাননা।
প্রবাসে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাজধানী ফিলাডেলফিয়ায় ‘বইমেলা২০২৫’ মতো একটি আয়োজন, যার সাথে তিনিও আয়োজকদের একজন ছিলেন। এবং ‘ফিলাডেলফিয়া’ নামের সাহিত্য পত্রিকাটি তিনি সম্পাদনা করেন।
সায়েমের নানা বাড়ি হচ্ছে সিলেটের মামনফুর এলাকায়। নানার নাম সৈয়দ মোস্তকিন আলি
বিষাদমুক্ত, ভ্রমণপ্রিয়, বন্ধুবৎসল। ফোন : +1 (929) 732-5421 ইমেল: ahmedsayem@gmail.com
